মেনু নির্বাচন করুন

বিশেষ অর্জন।

বিভিন্ন ডিজিটাল অর্জন

-----------------------------
* মন্থন অ্যাওয়ার্ড-২০১০, ৪টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হলো বাংলাদেশ, * গার্টনারের প্রতিবেদন : শীর্ষ ৩০ আউটসোর্সিং দেশের তালিকায় বাংলাদেশ, * ই-পূর্জির সাফল্য ও স্বীকৃতি, * মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, * আইটিওর নির্বাচনে বিজয়ী বাংলাদেশ।

ই-গভর্নমেন্ট তালিকায় এগিয়েছে বাংলাদেশের অবস্থান
যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বার্ষিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, এশিয়ার দেশগুলোতে ই-গভর্নমেন্ট কার্যক্রম দ্রুত প্রসার লাভ করছে। বিশ্বের ১৯৮ দেশের ই-গভর্নমেন্ট কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে বার্ষিক এই রিপোর্ট তৈরি করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের টাবম্যান সেন্টার ফর পাবলিক পলিসি বিভাগ। রিপোট অনুযায়ী ই-গভর্নমেন্টে প্রথম স্থানে রয়েছেÑ দক্ষিণ কোরিয়া, দ্বিতীয় তাইওয়ান, তৃতীয় সিঙ্গাপুর এবং চতুর্থ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আগে দক্ষিণ কোরিয়ার স্থান ছিল ৮৬তম। তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে ৮৬ নম্বরে। আগে বাংলাদেশ ছিল ১১৫-তে।

পে-পল চালুর অপেক্ষায় বাংলাদেশ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের কার্যকরী দিক-নির্দেশনা এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সফল প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জুনায়েদ আহমেদ পলক এমপির পে-পলের ভাইস প্রেসিডেন্টের সাথে মিটিংয়ের মাধ্যমে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের ফলে পে-পল কর্তৃপক্ষ অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে তাদের জুম অপারেশন শুরু করবে। এই সফল উদ্যোগ অনলাইন আউট সোসিংয়ের মাধ্যমে অর্জিত আয়কে দেশে আনার প্রক্রিয়াকে সহজতর করবে।

পরিশেষে
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ পরিণত হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর মেরুদ- হিসেবে। বাংলাদেশে এর ব্যবহারও ধীরে ধীরে প্রসারিত হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে। দেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রসার ও বিকাশের জন্য যেমন প্রয়োজন দক্ষ জনবল, তেমনি দরকার প্রশিক্ষণ ও অর্থায়ন। তাই বাংলাদেশের সরকার হাতে নিয়েছে বেশ কিছু সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। তাই যথার্থ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রীর স্লোগানÑ ‘প্রযুক্তি প্রগতির পথ হিসাবে গণ্য, ডিজিটাল বাংলাদেশ হতে হবে সকলের জন্য’।